August 25, 2026, 7:06 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট/শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বাসস্থান ও ভবনের ব্যবহার নিয়ে কিছু প্রশ্ন ছয় মাসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা/বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক সারের বরাদ্দ আছে, সংকট কোথায়? দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার, কিন্তু কৃষকের হাতে যাচ্ছে না কুষ্টিয়ায় ফিরল দেবাশীষ ও স্ত্রী-সন্তানের নিথর দেহ, রাতেই স্ব স্ব ধর্মীয় রীতিতে শেষ বিদায় সরকারি বিজ্ঞাপনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএফপির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি রবীন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি

বিনিয়োগে স্থবিরতা, ভোগ কমেছে জুনে এলসি খোলা ৫ বছরে সর্বনিম্নে

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
গত জুন মাসে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এই মাসে খোলা এলসির পরিমাণ ছিল গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বেসরকারি বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়া, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি, মজুরির সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধির অসামঞ্জস্য এবং সামগ্রিকভাবে মানুষের ভোগব্যয়ের প্রবণতা কমে যাওয়াই এর মূল কারণ।
অপরদিকে, আমদানি হ্রাসের প্রভাবে এলসি নিষ্পত্তির পরিমাণও নেমে এসেছে সাড়ে চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা বলছেন, চলতি বছরের জুনে খোলা এলসির পরিমাণ করোনাকালীন সময়ের চেয়েও কম, যা আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এক গভীর সংকেত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৫ অর্থবছরের শুরু মাসে অর্থাৎ জুনে মোট ৪.১৪ বিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪.৪২ শতাংশ কম। ২০২৪ সালের জুনে এই পরিমাণ ছিল ৫.৪৭ বিলিয়ন ডলার।
তথ্য বিশ্লেষণ বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে এলসি খোলার প্রবণতা ধারাবাহিকভাবে কমেছে এবং জুনে তা এসে ঠেকে সবচেয়ে নিচের স্তরে। এর আগে সর্বশেষ এত কম এলসি খোলা হয়েছিল ২০২০ সালের আগস্টে—৩.৭ বিলিয়ন ডলার।
সংশ্লিষ্টরা মনে করিয়ে দেন, ২০২০ সালের মার্চে দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পরপরই দেশজুড়ে লকডাউন আরোপ করা হয় এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে, যার ফলে আমদানি বড় ধাক্কা খায়। তবে এবারের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, কারণ কোনো বৈশ্বিক মহামারির চাপ ছাড়াই বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমে যাওয়ার কারণে আমদানি কমছে, যা ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধিকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net